আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে হঠাৎ করেই ৩২১টি পশুর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শুধু ‘হিসাবের ভুল’ নয়, বরং বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৩১ মার্চ ২০২৪-এ যেখানে পশুর সংখ্যা ছিল ৬৭২, সেখানে ১ এপ্রিল তা কমে দাঁড়ায় ৩৫১-তে। ধারণা করা হচ্ছে, ইচ্ছাকৃতভাবে পশুর সংখ্যা কমিয়ে চিড়িয়াখানার মর্যাদা ‘লার্জ জু’ থেকে ‘মিডিয়াম জু’ করা হয়েছে, যাতে মনিটরিং ও দায়িত্ব কমে এবং ৩ একর দামী জমি (মূল্য প্রায় ₹৩০০ কোটি) ই-নিলামে তোলা যায়। তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে—সিসিটিভি ফুটেজ, পোস্টমর্টেম বা ট্রান্সফার ডেটা প্রকাশ করা হয়নি। ‘স্বজন’ নামক একটি এনজিও কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছে এবং ১০ বছরের পূর্ণ তালিকা চেয়েছে – কে জন্মেছে, কে মরেছে, কে ট্রান্সফার হয়েছে, কে নেই হয়ে গেছে । এই ঘটনা শুধু পশুপাখিদের নয়, বরং গণতন্ত্রকেও প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।


Be the first to comment